কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি;
নিকলী–বাজিতপুরে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা-র গণসংযোগ কর্মসূচি। গতকাল বিকেল ৩টায় নিকলী উপজেলায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষের উপস্থিতি জনসমর্থনের নতুন রূপ তুলে ধরে।
গণসংযোগে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ জানান, এহসানুল হুদা যে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার কথা তুলে ধরছেন— সেগুলো এলাকার বাস্তব চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা, নতুন কর্মসংস্থান এবং সামাজিক নিরাপত্তার পরিধি বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিকে তাঁরা পরিবর্তনের নতুন আশা হিসেবে দেখছেন।
নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে কর্মসূচি প্রাণবন্ত
দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেন কিশোরগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাঁদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—
কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাসিমুল হক রাসেল,
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সৈয়দ এনামুল হক উমর,
নিকলী উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম লিটন,
যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স মাহমুদ তুহিন,
নিকলী উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আকরাম হোসেন,
উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি ছাফিল উদ্দিন,
ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনায়েত কবির,
বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির, নেহাল চৌধুরী, ফারুক, নুর ইসলামসহ আরও অনেকে৷
নেতারা স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাঁদের সমস্যা, উন্নয়ন–চাহিদা ও পরামর্শগুলো গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন।
জনতার সমর্থনে বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক আবহ
স্থানীয়রা জানান, নিকলী–বাজিতপুরে দীর্ঘদিন পর এমন প্রাণবন্ত ও উচ্ছ্বাসমুখর রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পরিবর্তনের পক্ষে সোচ্চার। নেতৃবৃন্দ মনে করেন, এহসানুল হুদার নেতৃত্বে এলাকার ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা প্রতিষ্ঠিত হবে।
জনগণের ভাষ্য—
“আমাদের এলাকার উন্নয়ন ও সমস্যা সমাধানে তাঁর পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত। তাই আমরা তাঁর প্রতি আস্থা রাখছি।”
উন্নত আগামীর প্রত্যাশা
গণসংযোগে বক্তারা বলেন,
“জনগণের অধিকার, উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা একসঙ্গে কাজ করছি। নিকলী–বাজিতপুর এই উন্নয়নের পথে একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে উঠবে।”
গণসংযোগ শেষে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। মানুষ আশা প্রকাশ করে—
“এইবার বদলাবে নিকলী–বাজিতপুরের ভাগ্য।”