* দুই ছাত্রদল নেতাসহ গ্রেফতার ৮
* বিজিবির গাড়ি সহ ৬টি গাড়ি ভাংচুর
* শ্রমিকদের বাঁধার মুখে পিছুঁ হটলো ভ্রাম্যমাণ আদালত
চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি;
পার্বত্য বান্দরবানের লামার ফাইতং পাগলীর আগা এলাকায় ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনায় যাওয়ার পথে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে ইটভাটা শ্রমিক ও স্থানীয় জনতার মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ইটভাটায ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সংবাদ পেয়ে ইটভাটার শ্রমিকেরা কক্সবাজারের চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থান নেন সকল ৮ টা থেকে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর ) দুপুর ১২টায় ভ্রাম্যমাণ আদালত টিমের গাড়ি বহর পাহাড়তলী এলাকায় পৌছলে ইটভাটার শ্রমিকদের সাথে সংঘর্ষের এ ঘটনার সূত্রপাত হয।
ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া,ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় পুলিশ,বিজিবি’র ৭ সদস্য আহত হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,পুলিশ,বিজিবি’র গাড়ি সহ মোট ৬টি গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় দুই ছাত্রদল নেতাসহ ইটভাটার ৮ শ্রমিককে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়।
এ নিয়ে গত ৪ দিন ইটভাটায় অভিযান কালে বাঁধার মুখে পড়ে প্রশাসন। শ্রমিকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে তাদের অংশে ৮ জন নারী শিশুসহ মোট ৫০ জনের অধিক লোকজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০ জনের অধিক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। অনেককে আটক করা হয়েছে।
শ্রমিকদের সাথে আন্দোলনে যোগ দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টায় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদল সদস্য সচিব জমির উদ্দিন (২৪) ও সদস্য আরফাত হোসেন (২০) নামে দুই ছাত্রদল নেতা আটক হয়।
বেলা ৩ টার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের অভিযান স্থগিত করে চলে যায়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হতে পরিচালিত স্পেশাল অভিযানে নেতৃত্ব ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজুয়ান উল ইসলাম। এ সময় আলীকদম সেনা জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর হাফিজ, সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট (লামা) রুবায়েত আহমেদ,লামা থানা পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ,বিজিবি,ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তর অংশ নেয়।
সহকারী ম্যাজিস্ট্রেট (লামা) রুবায়েত আহমেদ বলেন,ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলা করে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ি ভাংচুর করেছে। অনেকে আহত হয়েছে।