স্টাফ রিপোর্টার ;
জামালপুরের ইসলামপুরে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, মানিকগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণে মসজিদের মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জামালপুরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা ইসলামপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায়
অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শামীম উল বাশার (৪০) বই ও চকলেট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে একটি বাড়িতে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। তিনি ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বেলগাছা ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
পুলিশ ও ভিকটিমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সকালে ওই ছাত্রীকে বই ও চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যান ওই শিক্ষক। পরে নিজের বাড়ির কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। শিশুটি বাড়িতে গিয়ে প্রথমে তার মাকে বিষয়টি জানায়। পরে অন্যদের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক।
ইসলামপুর থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, ওই স্কুলছাত্রীকে বই ও চকলেট কিনে দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তেও ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ইতোমধ্যে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
ওসি আরও জানান, স্কুলছাত্রীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া ২২ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার জন্য জামালপুর আদালতেও পাঠানো হয়। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
প্রতিবন্ধী শিশু ধর্ষণে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার
মানিকগঞ্জের ঘিওরে ১২ বছরের এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম হোসেন (৬৫) নামে এক মসজিদের মুয়াজ্জিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই শিশুর মায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মুয়াজ্জিনকে গতকাল বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ঘিওর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কোহিনুর ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে ঘিওর উপজেলার একটি গ্রামে ১২ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ইমাম হোসেন নামের এক ব্যক্তি চকলেট দেওয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। শিশুটি বাড়িতে ফিরে বিষয়টি তার মাকে বলে। সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত ইমাম হোসেনকে আটক করে পুলিশে দেন। রাতেই শিশুটির মা বাদী হয়ে ধর্ষণের মামলা করেন। গতকাল শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গতকাল দুপুরে অভিযুক্ত ইমাম হোসেনকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান।