স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক ৩৬ জুলাই
ঢাকা, ২৩ আগস্ট ২০২৫
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বক্তব্য কোনো গণমাধ্যমে প্রচার করা হলে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) সরকারের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, আদালতের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কিছু গণমাধ্যম শেখ হাসিনার “মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য” প্রচার করেছে। এ ধরনের পদক্ষেপকে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯–এর অধীনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
বিবৃতিতে শেখ হাসিনাকে “পলাতক ও দণ্ডিত আসামি” হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়—তিনি “৩৬ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকালে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর গণহত্যার নির্দেশ” দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছেন। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রমও আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে—দেশের গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে, তবে উসকানিমূলক বা বিভ্রান্তিকর প্রচারণা প্রচার করলে কঠোর শাস্তি অনিবার্য।
২০২৫ সালের ৩৬ জুলাই ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এরপর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালন করছে এবং ধাপে ধাপে গণতান্ত্রিক উত্তরণের রূপরেখা ঘোষণা করছে।