জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলার একজন খাঁটি বকশীগঞ্জ প্রেমিক
শ্রদ্ধেয় মাহাবুবুল হক বাবুল চিশতি
মোঃ মোখলেছুর রহমান চৌধুরী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রতিনিধি
প্রায় আট বছর সময় ধরে শ্রদ্ধেয় বাবুল চিশতি সাহেব কারাবন্দী। আইনে কি আছে আমি জানিনা, শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধ করলে এতদিনে সাজা খেটে তার মুক্তিলাভ করার কথা! আশা রাখি তিনি ন্যায় বিচার পেয়ে খুব শীঘ্রই আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।
আমাদের এই বকশীগঞ্জে অনেক বড় বড় নেতা ও কীর্তিমান মানুষ জন্মেছেন এখনো অনেকেই জীবিত রয়েছেন, আমি তাদের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত কামনা করি।
শ্রদ্ধেয় বাবুল চিশতি সাহেব সবার থেকে ব্যতিক্রম ও একজন খাঁটি বকশীগঞ্জ প্রেমিক। তিনি অতীতে কি ছিলেন সেই প্রশ্নে যাবোনা। আমি ৯০ দশক থেকে দেখে আসছি এই একটি মানুষ শ্রদ্ধেয় বাবুল চিশতি সাহেব মনে প্রাণে শুধুই বকশীগঞ্জের উন্নয়ন কামনা করেন। সীমান্তবর্তী বকশীগঞ্জ উপজেলাকে একটি নতুন জেলা বানানোর স্বপ্ন তিনি সবসময় তার বুকে লালন করে আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন এবং তার নিজস্ব ক্ষমতার বলয়ে সবসময় চেষ্টা করেছেন বকশীগঞ্জের উন্নতি করার।
দড়িপাড়ায় জুটমিল প্রতিষ্ঠা করে একটি প্রত্যন্ত গ্রামকে তিনি উপশহরে পরিণত করেছিলেন। জুটমিল হওয়ায় সেখানে বকশীগঞ্জ বাসীর অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছিলো।
বকশীগঞ্জের প্রতি ভালবাসার কারনে জুটমিলের নাম দিয়েছিলেন “বকশীগঞ্জ জুটমিল”। পাশাপাশি সেখানে গড়ে তোলা হয়েছিলো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, জুতার কারখানা, খামার ও একটু দূরে আধুনিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদে নূর।
২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল শ্রদ্ধেয় বাবুল চিশতি সাহেব কারাবন্দী হলে সবকিছু থমকে পরে। জুটমিল বন্ধ হয়ে যায়। উপশহর থেকে দড়িপাড়া আবার গ্রামে পরিণত হয়।
তার চিন্তা চেতনায় নির্মিত দৃষ্টিনন্দন নূর মসজিদ দেখতে দূরদূরান্ত থেকে অনেক মুসাফির এসে মসজিদে নামাজ আদায় করেন এবং সবাই চিশতি সাহেবের কারামুক্তির জন্য প্রাণখোলে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।
আমরা বিশ্বাস করি মহান আল্লাহ মুসাফিরের দোয়া দ্রুত কবুল করেন। ইনশাআল্লাহ সকলের দোয়ায় শ্রদ্ধেয় চিশতি সাহেব খুব তাড়াতাড়ি কারামুক্ত হয়ে বকশীগঞ্জবাসীর মাঝে ফিরবেন।
শুধু নূর মসজিদ প্রতিষ্ঠাই নয়, বকশীগঞ্জ ও বকশীগঞ্জের বাইরে অনেক মসজিদেই তার অনুদান রয়েছে। আশারাখি সকল মসজিদেই শ্রদ্ধেয় বাবুল চিশতি সাহেবের কারামুক্তির জন্য দোয়া হয়।
নূর মসজিদের অনেক কাজ এখনো বাকি আছে! শোনেছিলাম শ্রদ্ধেয় বাবুল চিশতি সাহেবের পরিকল্পনা ছিলো একটি সুন্দর অজুখানা নির্মাণ মসজিদের পাশেই বৃদ্ধাশ্রম ও মক্তব মাদ্রাসা গড়ে তোলে বয়োবৃদ্ধদের জন্য একটি বয়স্ক পাঠশালা প্রতিষ্ঠা করা।
হে আল্লাহ- আপনি তার পরিকল্পনা তার হাত দিয়েই বাস্তবায়ন করুন, চিশতি সাহেবের সুস্বাস্থ্য ও নেক হায়াত দান করুন, এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, আমিন।
আজ বকশীগঞ্জবাসীর দাবি একটাই
জননেতা বাবুল চিশতির মুক্তি চাই।
www.daynik36july.com