🕒 প্রকাশিত: ৪ ঘণ্টা আগে | 🖋 প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিনিধি
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার প্রথম বৈঠকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এক ধরনের ঐক্যমতের ইঙ্গিত মিলেছে।
পত্রিকার প্রধান শিরোনাম অনুযায়ী, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ, নারী আসনের সংখ্যা ও পদ্ধতি, সংসদের স্থায়ী কমিটি এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ও কাঠামো নিয়ে আলোচনায় অংশ নেয়া অধিকাংশ দল অভিন্ন অবস্থানে পৌঁছেছে।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর একটি বড় অংশ মতামত দিয়েছে—সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধন আনতে হবে। অর্থাৎ, নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা যেন অর্থবিল, আস্থাভোট এবং সংবিধান সংশোধন—এই তিনটি বিষয়ে কেবলমাত্র দলীয় সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য থাকেন। বাকি বিষয়গুলোতে তারা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এই প্রস্তাবে বিএনপি-জামায়াতসহ একাধিক দল সম্মতি জানিয়েছে।
একইসাথে, সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলোর নেতৃত্বে বিরোধী দলের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বেশিরভাগ দল মত দিয়েছে, কমপক্ষে ৪০-৫০ শতাংশ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব বিরোধী দলের হাতে থাকা উচিত।
নারী আসনের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের দাবি জোরালো হলেও, এ নিয়ে কিছুটা মতভেদ রয়েছে। তবে অধিকাংশই একমত হয়েছেন যে এ বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক ও সময়োপযোগী সংস্কার প্রয়োজন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ ও কার্যপরিধি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রেও মতপার্থক্য থাকলেও, রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমেই সমাধান সম্ভব বলে মনে করছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পরবর্তী বৈঠকে আরও বিশদ আলোচনা ও খসড়া সুপারিশ চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
🧭 বিশ্লেষণ:
এই আলোচনাগুলোর ভিত্তিতে আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অতীতের তিক্ততা সরিয়ে রেখে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক রূপরেখা নির্ধারণে এমন ঐকমত্যের উদ্যোগ সময়োপযোগী ও আশাব্যঞক