September 11, 2026, 1:23 pm
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই হামলার অভিযোগ—কালিকাপুরে মাদক সিন্ডিকেটের দাপট? আতঙ্কে তরুণ সমাজ, উঠছে নানা প্রশ্ন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সরকারি বাঙলা কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না, সরাইলে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা! কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে হামলার ভিডিও ধারণ করার সাংবাদিকদের ডান হাতের কাঁধ ভেঙে দিল ছাত্রদলের দুর্বৃত্তরা হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, জনতার হাতে এক প্রতারক আটক ‎প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, ‎বাজারের অস্থিরতায় লাগাম টানতে চাই কার্যকর ‎পদক্ষেপ, পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে খুচরা দাম, নাসিরনগরে কাঁচামরিচের কেজি ছাড়ালো ৩০০ টাকা
নোটিশ :

মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই হামলার অভিযোগ—কালিকাপুরে মাদক সিন্ডিকেটের দাপট? আতঙ্কে তরুণ সমাজ, উঠছে নানা প্রশ্ন

রিপোর্টারের নাম

নিউজ ডেস্ক : এক মাদক কারবারির কাছেই স্তব্ধ হয়ে গেছে কালিকাপুর! থমথমে কাঁপছে পরিবারের অন্তর, আর বুক ফুলিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে কারবারিরা।

কালিকাপুর, যেখানে মাদকের গোডাউন, অস্ত্র আর হুমকিতেই কাবু স্থানীয় প্রশাসন। যেখানে এই কারবারিদের সম্পর্কে লিখতে গেলে সাংবাদিকদের কলমও থমকে যায়, প্রশাসনের চোখে অন্ধকার, জনপ্রতিনিধির ঘুম বেড়ে যায়। সুশীলরা উপরে প্রতিবাদের ফেসবুক পোস্ট করলেও ভিতরে নিশ্চিত করে মাদক কারবারি মিন্টু ও তারুর নিরাপত্তা।

ঘটনাস্থল — লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার ৬নং লামচর ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রাম।

এখানে রয়েছে একাধিক সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন, হাই প্রোফাইলের প্রবাসী ও দেশি এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী। এরা সবাই প্রতিবাদের ভাষা প্রকাশ করলেও অদৃশ্য এক নেটওয়ার্কে কতিপয় মাদক কারবারির প্রশ্রয়দাতা।

গত কয়েক মাস ধরে তাদের অত্যাচারে স্থানীয় জনগণের জীবনে নেমে আসে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। জনমনে আতঙ্ক আর অস্থিরতায় কাটছে তরুণ সমাজ। মাদক কারবারি তারু ও মিন্টু একাধিকবার মাদকসহ পুলিশের কাছে, সেনাবাহিনীর কাছে ধরা খেলেও অসাধু আইনজীবী ও স্থানীয় আত্মীয়, প্রতিবেশী, ব্যবসায়ী ও প্রবাসী ডোনারের আর্থিক সহযোগিতায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই কারবারিরা থাকে বহাল তবিয়তে।

জনমনে প্রশ্ন—বিগত কয়েক বছরে এবং গত কয়েক মাস আগে পাশের বাড়িতে মাসুম নামের এক যুবক প্রতিবাদ করলে তার বসতঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এবং মাদক কারবারির অস্ত্র যোগানদাতা ও ৯৬ সালের মাদক সম্রাট প্রবাসী মিন্টুর সরাসরি হস্তক্ষেপে প্রতিবাদী এই যুবককে হত্যার উদ্দেশ্যে সরাসরি দিনের বেলায় ভিকটিমের বাড়িতে হামলা করতে গিয়ে স্থানীয় মহিলাদের প্রতিরোধে প্রাণে বেঁচে যায় এই প্রতিবাদী যুবক মাসুম।

যা এখন ফেসবুকজুড়ে হট টপিকের তালিকায়। এবং এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদকের কাছেও সংরক্ষিত ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আনকাট প্রচারিত।

একইভাবে এই মাদক কারবারি তারু ও মিন্টুর বিরুদ্ধে স্কুল-কলেজের তরুণরা প্রতিবাদী হয়ে উঠলে তাদের বসতঘরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার একাধিক হুমকি দিয়ে স্তব্ধ করে রাখা হয়। কিন্তু যুবসমাজ এগিয়ে এলে নির্মমতার হার বেড়ে যায় এই মাদক কারবারি গ্রুপের।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, ভূঁইয়া বাড়ির সাবেক আওয়ামী লীগের নেতা স্বপনের ছোট ভাই এই তারু মিয়া, মিন্টুর পরিকল্পনায় ও স্বপনের সহযোগিতায় পরিচালনা করে এক বিশাল সিন্ডিকেট নেটওয়ার্ক। যার মধ্যে সমাজের নেতৃত্ব দিতে চাওয়া অনেকেই জড়িত ও কমিশন এজেন্ট।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কিছু যুবক ও বৃদ্ধদের সাক্ষ্য-প্রমাণে এবং স্থানীয় জুমা মসজিদে এই মাদক কারবারি তারু প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা আর না করার কথা বললেও, একই দিনে একাধিকবার প্রতিবাদী আরেক যুবককে আওয়ামী লীগ ট্যাগ লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।

স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফেরার পথে ওই মাদক কারবারির নেটওয়ার্কের লোকজন আরও একবার হত্যার চেষ্টা করে। যার আতঙ্কে ভিকটিম রিপন দেওয়ান ও রুপন দেওয়ান এখন ভীত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশী।

স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন—এখানের যুবকেরা কি হেরে যাবে এই তারু ও মিন্টু গ্রুপের কাছে?

তারুর কাছেই কি হার মানবে তরুণ সমাজ?

স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চুপ থাকলেই কি সমাধান হয়ে যাবে এই মাদক কারবারির দৌরাত্ম্য?

জনগণের সেবা করতে চাওয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কি এভাবেই করে যাবে মাদকের রাজনীতি?

এমপি মহোদয়ের মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্নও ভেস্তে যাবে এই মাদক ব্যবসায়ী গ্রুপের কাছে?

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নিজ ঘরেই পুষে রাখা আওয়ামী লীগের নেতার প্রশ্রয়ে থাকা, এই তারু ও মিন্টুর সমাজ ধ্বংসের শেষ কোথায়?

চলবে….



আমাদের পেজ লাইক করুন