October 28, 2026, 1:32 pm
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই হামলার অভিযোগ—কালিকাপুরে মাদক সিন্ডিকেটের দাপট? আতঙ্কে তরুণ সমাজ, উঠছে নানা প্রশ্ন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সরকারি বাঙলা কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না, সরাইলে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা! কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে হামলার ভিডিও ধারণ করার সাংবাদিকদের ডান হাতের কাঁধ ভেঙে দিল ছাত্রদলের দুর্বৃত্তরা হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, জনতার হাতে এক প্রতারক আটক ‎প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, ‎বাজারের অস্থিরতায় লাগাম টানতে চাই কার্যকর ‎পদক্ষেপ, পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে খুচরা দাম, নাসিরনগরে কাঁচামরিচের কেজি ছাড়ালো ৩০০ টাকা
নোটিশ :

চরম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ও নিরাপত্তাহীনতায় দিশেহারা সাংবাদিক পেশা,

‎মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি,

‎মোঃ সাইফুল ইসলাম, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া প্রতিনিধি,
‎
‎গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সাংবাদিকতা রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রবাহের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিহার্য। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের রাজনৈতিক অব্যবস্থা, রাজনৈতিক অস্থিরতা, কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা ও মেরুকরণের কারণে সাংবাদিকদের ওপর অনৈতিক নির্যাতন দিনে দিনে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতায় দিশেহারা সাংবাদিকপেশা এর উত্তরণের উপায় কি ?
‎
‎রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ঘুষ, দুর্নীতির অনুসন্ধান প্রতিবেদন, মাদক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবেদন প্রকাশের কারণে সাংবাদিকরা গ্রেপ্তার, হামলা- মামলা ও হত্যার শিকার হচ্ছেন।
‎রাজনৈতিক সমাবেশ বা সংঘর্ষ কাভার করতে গিয়ে সাংবাদিকরা হামলার শিকার হন।  দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাংবাদিকদের অপহরণ বা জোরপূর্বক গুম করার অভিযোগও রয়েছে। রাষ্ট্রের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বা সাইবার অপরাধ আইনের অপব্যবহার করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া ও কারাবাস তাদের পেশাগত স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
‎সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকি, ট্রোলিং এবং নজরদারি সাংবাদিকদের মানসিক চাপে ফেলে। নারী সাংবাদিকরা প্রায়ই লিঙ্গভিত্তিক হয়রানির শিকার হন।
‎প্রতিশোধের ভয়ে অনেক সাংবাদিক সংবেদনশীল বিষয় এড়িয়ে চলেন, যা গণতান্ত্রিক স্বচ্ছতার জন্য ক্ষতিকর।
‎ বিভিন্ন সংগঠনগুলোর মতে, নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের উপর ভয়- ভীতি,  হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পায় এবং বিরোধী মত প্রকাশকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
‎
‎ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের ওপর অনৈতিক নির্যাতন শুধু ব্যক্তি বা পেশার ওপর আঘাত নয়, এটি গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ওপর সরাসরি আক্রমণ। একটি স্বাধীন ও নিরাপদ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা না হলে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এজন্য সরকার, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত আবশ্যকীয় বলে মনে করি।
‎বাংলাদেশের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়?  মানবতা আজ বিলুপ্তির মুখে,  হুমকির মুখে সভ্য সমাজ, কে দেবে এই নিরাপত্তা?
‎ সম্প্রতিক ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার কসবা উপজেলায় এক নিরিহ সাংবাদিককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এ কারণে সাংবাদিক সমাজ ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে আসছে।
‎ তার অপরাধ তিনি পেশাগত দায়িত্বে সাংবাদিক হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে  সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এটা কি তার অপরাধ ? মানসিকতা, মানবিকতা কোথায় এসে দাঁড়িয়েছে ?  এর উত্তরণের উপায় খুঁজতে চাই, সাংবাদিক সমাজের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা।



আমাদের পেজ লাইক করুন