নিউজ ডেক্স:
মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বছরে লক্ষকোটি টাকার চিকিৎসা সামগ্রী তসরুপ হয় এমন অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর অনুসন্ধানে মাঠে নামে স্থানীয় সংবাদ কর্মীগণ। পরবর্তীতে অনুসন্ধানে দেখা যায় মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের ঠিক পাশেই এনসিডিসি রুমে এভাবেই তসরুপ অবস্থায় পড়ে আছে প্রায় লক্ষ্য কোটি টাকা দামের আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন। গতকাল অফিস চলাকালীন সময়ে চরম অযত্নে অবহেলায় ধুলোবালি জমে পড়ে থাকতে দেখা যায় অতি গুরুত্বপূর্ণ এই চিকিৎসা সামগ্রীটি। সরকার প্রতি বছর এভাবেই চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ দিয়ে থাকেন উক্ত হাসপাতালে প্রায় লক্ষ কোটি টাকা। অভিযোগ রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নামকে হস্তে ডিলার বা পরিবেশক দেখিয়ে প্রতি বছর চিকিৎসা সামগ্রী MSR পণ্য ক্রয়ের নামে লোপাট হয় মনপুরা হাসপাতালের বরাদ্দের টাকা।
হাসপাতালের এক্সরে, ইসিজি কিংবা আল্ট্রাসনোগ্রাফি করার যন্ত্রপাতি এভাবেই তসরুপ করে, বাহিরে ডায়গনস্টিক ব্যবসা চাঙ্গা রাখেন মনপুরা হাসপাতালের সরকারি ডাক্তারেরা। এমনকি মনপুরা হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার সোহেল কবির নিজেই হাজার টাকা নিয়ে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করান প্রাইভেট ডায়াগনস্টিকে। মনপুরা হাসপাতালে এভাবেই একের পর এক সিন্ডিকেটের তথ্য প্রকাশে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল সিন্ডিকেট ও সরকারি সম্পত্তি তসরূপ নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ফোন করে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে লাইন কেটে দেন। তবে এ বিষয়ে সিভিল সার্জন ভোলা জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না, তবে তিনি জেনে জানাবেন সাংবাদিকদের জানাবেন, ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অভিযোগ রয়েছে মনপুরা হাসপাতালে চিকিৎসা সামগ্রী এম এস আর পন্যক্রয় এবং পরিবেশক নিয়োগে অনিয়ম, চিকিৎসা সামগ্রী তস্রুপ, রোগীদের খাবার সিন্ডিকেট, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যথাসময়ে কর্মস্থলে উপস্থিত না হওয়া, কাদের নামক অজানা ব্যক্তি দ্বারা হাসপাতালের অফিস পরিচালনা করা ও রোগীদের সাথে অসদাচরণের তথ্য প্রমান নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের ৩য় পর্ব দেখতে সাথে থাকুন