নাসির নগর, ব্রাক্ষণবাড়ীয়া প্রতিনিধি;
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নের শংকরাদহ গ্রামের মনুছ মিয়ার মেয়ে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী ৮ বছরের শিশু হাবিবা আক্তারকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
একটি নিষ্পাপ বাচ্চার চিৎকারও এই সমাজকে নাড়া দিতে পারে না—
কারণ আমরা অভ্যস্ত হয়ে গেছি!
মানুষ মরলে আমরা চুপ।
মানুষ খুন হলে আমরা অন্ধ।
ধর্ষণ হলে আমরা বধির।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়—
👉 কুকুর ছানা মরতেই সবাই হঠাৎ “বড় মানবতাবাদী”!
👉 সাংবাদিকদের হঠাৎ ‘সততা’ জেগে ওঠে!
👉 সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল!
👉 আইনও মুহূর্তেই জেগে ওঠে!
একটি দেশ কতটা অসুস্থ হলে পশুর বিচার হয়—মানুষেরটা হয় না?
প্রাণের মূল্য ইসলামও দিয়েছে—কিন্তু
মানুষের জীবন কি তবে পশুর চেয়ে কম দামী হয়ে গেছে?
হাবিবার রক্তাক্ত দেহ মাটিতে পড়ে ছিল,
তার শরীরের ক্ষত–যন্ত্রণা–নিঃশ্বাস—
কোনো ক্যামেরা দেখেনি!
কোনো মিডিয়া ভাইরাল করেনি!
কারণ সে “কুকুর” ছিল না—সে ছিল “মানুষ”!
এই দেশে মানুষের জীবন সস্তা—
ভাইরাল নয়, তাই মূল্যও নেই!
প্রশাসনের কাছে জোড় দাবি—
হাবিবার হত্যাকারীর দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তি—মৃত্যুদণ্ড।
একটি শিশুর রক্তের দাম যেন পশুর চেয়ে কম না হয়।
ভণ্ডামি বন্ধ হোক।
মানুষের জীবনের মূল্য ফিরিয়ে দিন।