বরগুনা প্রতিনিধি:
বরগুনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে অতিরিক্ত ডিগ্রি ও ভুয়া পদবি ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে চার জনকে দণ্ডিত করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে অর্থদণ্ড এবং দুইজনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শনিবার ( ২২ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল হোসেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: জহিরুল ইসলাম সৌরভ, সুজন চন্দ্র লস্কর, বিধান রঞ্জন সরকার, দিলীপ কুমার দাস।
জানা যায়, শুক্রবার রাতে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. শরিয়াত উল্লাহর নেতৃত্বে শহরের শের-ই-বাংলা ফার্মেসি সড়ক এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে চারজনের বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করা হয়। ভুল স্বীকার করায় বিধান রঞ্জন সরকার ও দিলীপ কুমার দাসকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২২ ধারায় প্রত্যেকে ১ লাখ টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। অপরদিকে, ভুল স্বীকার না করায় জহিরুল ইসলাম সৌরভকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড এবং সুজন চন্দ্র লস্করকে ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন ম্যাজিস্ট্রেট এস.এম. শরিয়াত উল্লাহ। সুজন চন্দ্র লস্কর জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় অনাদায়ে তাকে এই সাজা দেওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বরগুনা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এসময় ফার্মেসি পট্টি এলাকায় ভুয়া পদবি ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। পরে সামারি ট্রায়ালে তিনজন তাদের ভুল স্বীকার করলেও একজন তা অস্বীকার করেন।
সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল হোসেন বলেন, বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় ভুয়া সাইনবোর্ড ব্যবহার করে চিকিৎসা বাণিজ্য করার অভিযোগে চারজনকে বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ অনুযায়ী দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অভিযানে পুলিশ ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার উপস্থিত ছিলেন।