October 28, 2026, 9:10 pm
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই হামলার অভিযোগ—কালিকাপুরে মাদক সিন্ডিকেটের দাপট? আতঙ্কে তরুণ সমাজ, উঠছে নানা প্রশ্ন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সরকারি বাঙলা কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না, সরাইলে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা! কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে হামলার ভিডিও ধারণ করার সাংবাদিকদের ডান হাতের কাঁধ ভেঙে দিল ছাত্রদলের দুর্বৃত্তরা হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, জনতার হাতে এক প্রতারক আটক ‎প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, ‎বাজারের অস্থিরতায় লাগাম টানতে চাই কার্যকর ‎পদক্ষেপ, পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে খুচরা দাম, নাসিরনগরে কাঁচামরিচের কেজি ছাড়ালো ৩০০ টাকা
নোটিশ :

পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৩ জনের স্বীকারোক্তি

রাকিবুল হাসান

মোঃ রাকিবুল হাসান

চট্টগ্রাম চান্দগাঁও প্রতিনিধি- দৈনিক৩৬জুলাই

 

চট্টগ্রাম: রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনা থানার পশ্চিম কোদালা গ্রামের কৃষক দিদার আলম (২৮) হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), চট্টগ্রাম জেলা।

 

পিবিআই চট্টগ্রাম জেলা সূত্রে জানা যায়, রাঙামাটির জেলার চন্দ্রঘোনা থানার মামলা নম্বর–০১, (তারিখ ২৭ জুলাই ২০২৫), ধারা ৩৬৪/৫০৬(২)/৩৪ পেনাল কোড অনুযায়ী মামলা দায়েরের পর আদালতের আদেশে মামলাটির তদন্তভার পিবিআই, চট্টগ্রাম জেলায় হস্তান্তর করা হয়।নিহত দিদার আলমের স্ত্রী কহিনুর আক্তার (২৭) এর সঙ্গে স্বামীর বন্ধু আব্দুল খালেক এবং একই গ্রামের হানজালা নামে দুজনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। দিদার আলম বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবাদ করলে কহিনুর তার প্রেমিক হানজালাকে নিয়ে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

পিবিআই চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকা থেকে প্রথমে কহিনুর ও খালেককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের অনুমতিতে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদে কহিনুর হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত স্বীকার করেন।

 

স্বীকারোক্তিতে কহিনুর জানান, গত ৩০ জুন রাতে স্বামীকে গরুর দুধে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাওয়ানোর পর গভীর রাতে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

তিনি আরও জানান, হানজালা ও সেলিম নামে দুই সহযোগীকে খবর দিলে তারা এসে লাশ ধান শুকানোর প্লাস্টিক দিয়ে মুড়িয়ে পাশের খালে ফেলে দেয়।

 

পরে কহিনুরের জবানবন্দির ভিত্তিতে রাঙ্গুনিয়া থানার পশ্চিম কোদালা গ্রাম থেকে হানজালা ও সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারাও আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মামলার পুরো রহস্য উন্মোচন হয়েছে। নিহত দিদার আলমের মরদেহ উদ্ধারে অভিযান এখনো চলছে ।



আমাদের পেজ লাইক করুন