মোঃজোনায়েদ হোসেন জুয়েল,কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি দৈনিক ৩৬জুলাই
নয় বছর পর কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন হতে যাচ্ছে এক নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচনের উপলক্ষ হিসেবে। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পুরাতন স্টেডিয়ামে যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে, সেটিকে ঘিরে কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে নেতৃত্ব পুনর্গঠনের আবহ।
এই পরিপ্রেক্ষিতে একজন নেতার নাম বারবার উচ্চারিত হচ্ছে কর্মীদের মুখে—মো. শরীফুল আলম।
রাজনৈতিক অঙ্গনে অবিচল এক কণ্ঠ
শরীফুল আলম শুধু একজন নেতা নন, তিনি এক অবিচল সংগ্রামী পথিক, যিনি কঠিন সময়েও রাজপথ ছাড়েননি। দমন-পীড়নের কালো দিনগুলোতে যখন অনেকেই রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয়তায় চলে গিয়েছিলেন, তখন শরীফুল আলম ছিলেন মাঠের সামনে।
এক সিনিয়র বিএনপি নেতা বলেন—
> “ওনি শুধু সংগঠক নন, একজন প্রেরণাদায়ী মানুষ। তার জন্যই আমরা মাঠে আছি, সংগঠনে আছি।”
গঠনমূলক নেতৃত্বের রূপরেরেখা
সভাপতি হিসেবে পুনরায় মনোনয়ন চেয়ে শরীফুল আলম ঘোষণা দিয়েছেন এক শক্তিশালী ও যুগোপযোগী ভিশনের, যেখানে তৃণমূল কর্মীদের প্রশিক্ষণ, অংশগ্রহণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর অঙ্গীকার রয়েছে।
তিনি বলেন—
> “আমরা এমন একটি নেতৃত্ব গড়বো, যেখানে গণতন্ত্র শুধু কথা নয়, কাজে প্রতিফলিত হবে। জেলা বিএনপি হবে জাতীয় রাজনীতির একটি উদাহরণ।”
নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশার প্রতীক
বর্তমান সময়ে বিএনপির রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শরীফুল আলম এক্ষেত্রেও সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বিএনপির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হলে তরুণদের যুক্ত করতেই হবে।
স্থানীয় এক ছাত্রদল নেতা বলেন
> “শরীফ ভাই তরুণদের কথা শোনেন, মতামত নেন, এবং বাস্তবায়নের চেষ্টা করেন। উনি ভবিষ্যতের রাজনীতি বুঝেন।”
কর্মীবান্ধব কর্মকৌশল
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রতি শরীফুল আলমের আন্তরিকতা তাঁকে আলাদা করে তুলে ধরেছে। শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য নয়, ব্যক্তি পর্যায়ে সহযোগিতা, বিপদে পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থ কর্মীর খোঁজ নেওয়ার মতো মানবিক দিকগুলোও তার জনপ্রিয়তার ভিত্তি।
এক ত্যাগী নেতার ভাষায়:
> “নেতা এমনই হওয়া উচিত—যিনি শুধু মঞ্চে নয়, মাঠেও কর্মীর পাশে থাকেন।
নির্বাচন নয়, আস্থা যাচাইয়ের মঞ্চ
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন এ বছর কেবল নেতৃত্ব নির্বাচন নয়, বরং নেতাকর্মীদের পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও সম্মিলনের প্রতিফলন হয়ে উঠছে। শরীফুল আলম এই সম্মেলনকে গণতান্ত্রিক চর্চার একটি উদাহরণ হিসেবেই দেখছেন।
তিনি জানান—
> “নেতৃত্ব আসুক ভোটে, সম্মানে—এটাই বিএনপির সংস্কৃতি হওয়া উচিত।
বাংলাদেশের রাজনীতি এখন এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে। দলগত ঐক্য, সাংগঠনিক দৃঢ়তা এবং মাঠের নেতৃত্বে অভিজ্ঞতা—এই তিনটি গুণ একত্রে যাদের মাঝে রয়েছে, শরীফুল আলম তাদের অন্যতম।
তৃণমূল কর্মীরা যেমন আশাবাদী, তেমনি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, আগামী দিনের রাজনীতিতে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপিকে আরও সক্রিয়, গণমুখী ও শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করতে শরীফুল আলমের মত tested নেতৃত্বই হতে পারে সবচেয়ে উপযুক্ত পছন্দ৷
“তৃণমূলের বিশ্বাস, tested নেতৃত্বে এগিয়ে যাবেন শরীফুল আলম”
“শক্ত নেতৃত্বের সন্ধানে কিশোরগঞ্জ বিএনপি: আস্থার শীর্ষে শরীফুল”
. “নেতৃত্ব নয়, দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসছেন শরীফুল আলম”