ওসমান গনি
ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধিঃ দৈনিক৩৬জুলাই
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশী; জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে নিয়মিত চলছে পথসভা ও গণসংযোগ। স্থানীয় রাজনীতিতে ৪৭ নওগাঁ-২ ধামইরহাট পত্নীতলা আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। আসন’কে ঘিরে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে ইতোমধ্যে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় রয়েছেন মোট ৫ জন সম্ভাব্য প্রার্থী। রাজনীতিতে তাঁরা দলীয় কর্মকাণ্ড এবং মাঠ পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন এবং মাঠপর্যায়ে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে বিভিন্ন স্থানে পথসভা গণসংযোগ ও কর্মীসভা ও দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
বিএনপি’র সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেনঃ ১. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও নওগাঁ ৪৭-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ শামসুজ্জোহা খাঁন জোহা।২. বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নওগাঁ জেলা শাখার সাবেক সহ সভাপতি মোঃ খাজা নাজিবুল্লাহ্ চৌধুরী। ৩. সদ্য সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কেন্দ্রীয় কমিটি যুবদল, সাবেক, সহ-সভাপতি ও সহ দপ্তর কেন্দ্রীয় ছাত্রদল, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শাখা ছাত্রদল ইঞ্জিনিয়ার: কে এম এস মুসাব্বির শাফি। ৪. ধামইরহাট উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মাহবুবুর রাহমান চৌধুরী চপল। ৫. চেয়ারম্যান ২নং আগ্রাদ্বিগুন ইউনিয়ন পরিষদ ও ধামইরহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোঃ ইসমাইল হোসেন মোস্তাক।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মনোনয়ন নীতিমালায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ যোগ্যতা নির্ধারণ করেছেন, যার ভিত্তিতে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে। এই তিনটি মূল যোগ্যতা হল: ১. “গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে ত্যাগ স্বীকার- যিনি দল ও দেশের স্বার্থে সবচেয়ে বেশি ত্যাগ স্বীকার করেছেন। ২. সততার মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ- যিনি এলাকাবাসীর কাছে একজন সৎ ও বিশ্বাসযোগ্য মানুষ হিসেবে পরিচিত। ৩. নির্বাচনী এলাকায় সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত।”
স্থানীয় পর্যায়ে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জনপ্রিয়তা, কার্যক্রম ও জনসম্পৃক্ততা যাচাই করতে দলের পক্ষ থেকে একাধিক জরিপ ও পর্যবেক্ষণ চলছে বলে জানা গেছে। তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতেই শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে। ধামইরহাট -পত্নীতলা আসনে বিএনপি’র ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে কে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবেন, তা নিয়ে হাঁটে বাজার রাস্তা-ঘাটে এমনকি চায়ের আড্ডায় স্থানীয় রাজনীতিতে চলছে নানান আলোচনা সমালোচনা। তবে সবাই একমত যে, দলের দুঃসময়ে যিনি মাঠে থেকেছেন, তিনিই পাবেন চূড়ান্ত সম্মান।