কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের লাইসেন্স বাণিজ্যে নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমার নেতৃত্বে এখনো সক্রিয় শক্তিশালী আওয়ামী সিন্ডিকেট
শওকতুল ইসলাম
কক্সবাজার প্রতিনিধি: দৈনিক৩৬জুলাই
স্বৈরাচার আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর সরকারি দফতর-গুলোতে আওয়ামীলীগের আধিপত্য শূণ্যের কোটায় ঠেকলেও ভিন্ন চিত্র কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমার নেতৃত্বে সেই তখন থেকে এখন অবদি সক্রিয় রয়েছে আওয়ামী এক বিশাল সিন্ডিকেটচক্র। সেই সিন্ডিকেটের নেপথ্যে টেন্ডার ও লাইসেন্স বাণিজ্য একক নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশলের প্রতিটি কাজের টেন্ডার হয় নির্বাহী প্রকৌশলীর পরিকল্পনা ও সিন্ডিকেট চক্রান্তে।মূলত নির্বাহী প্রকৌশলী অধিক লাভবান হওয়ার আশায় তার নিয়ন্ত্রণে আগে থেকে গড়ে তুলেন নিজস্ব বলয়।
তিনি নিজস্ব বলয় ব্যবহার করে কক্সবাজার শিক্ষা প্রকৌশলের বিগত সব কাজ পরিকল্পিতভাবে আওয়ামী সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রাখতে অধিদপ্তরের মাফিয়া খ্যাত আওয়ামী সিন্ডিকেট মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স বসুন্ধরা হাউজ বিল্ডার্স নামের লাইসেন্স গুলো কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ও কুতুবদিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক মো: শাহেদের আপন ভাগ্নে তুষার এবং কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগ নেতা, ক্রসফায়ারের তিন নাম্বার আসামি ও বিশিষ্ট ইয়াবা ব্যবসায়ী আবুল কালামদের হাতে ২% কমিশনের মাধ্যমে লাইসেন্স ব্যবস্থা করে দেন।যার ফলে অন্য কোন ঠিকাদার কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে না।
মো: সুমন নামে এক ঠিকাদার জানান গত বছর লাইসেন্স বাণিজ্যের মাধ্যমে মৃধুময় চাকমা কক্সবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়,সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি মহিলা কলেজের টেন্ডার মেসার্স বসুন্ধরা হাউজ বিল্ডার্সের নামে সিন্ডিকেটের সদস্য ফ্যাসিস্টের সহযোগী কালামকে কার্যাদেশ প্রদান করেন।নির্বাহী প্রকৌশলী সেই ধারা এখনো অব্যাহত রেখেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমাকে ফোন করা হলে ঘটনার সত্যতা থাকার পরও তিনি সুকৌশলে অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।