*কুমিল্লা ৯ নির্বাচনী এলাকা পুনরুদ্ধার দাবিতে, নির্বাচনী আসন বিন্যাসের বিরুদ্ধে,বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ*
লালমাই, সদর দক্ষিণ তুমি কার,এই বৈষম্য কত কাল চলবে
প্রতিনিধি :-মনিরুল ইসলাম
লালমাই – সদর দক্ষিণ, কুমিল্লা,
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাগে আসুন বিন্যাস করেছে নির্বাচন কমিশন, লালমাই উপজেলাকে লাকসাম এর সাথে মিলিয়ে ৯নয় আসন ঘোষণা করা এবং সদর দক্ষিণ উপজেলাকে চৌদ্দগ্রাম আসনের সাথে মিলিয়ে ১১ আসন ঘোষণা করার মাধ্যমে সাধারণ জনসাধারণের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে । লালমাই এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার সাধারণ মানুষের একটাই দাবি এ দুটি উপজেলাকে একটি স্বতন্ত্র নির্বাচনী আসন ঘোষণা করা।
অনুসন্ধানে জানাজায় কুমিল্লা-৯, কুমিল্লা আদর্শ সদর-এর ছয়টি ইউনিয়ন- বিজয়পুর, বারপাড়া, পূর্ব জোড়কানন, পশ্চিম জোড়কানন, গলিয়ারা ও চৌয়ারা এবং লাকসাম উত্তরের চারটি ইউনিয়ন-বাগমারা, ভুলইন, বেলঘর, পেরুল নিয়ে ২৫৬ কুমিল্লা নির্বাচনী এলাকা গঠিত হয়েছিল। এই আসন ব্যবস্থা ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগ, ১৯৮৮ ও ১৯৯১ সালে জাতীয় পাটি, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ এবং ২০০১ সনে বিএনপি প্রার্থী নির্বাচনে জয় লাভ করেছে।
২০০৮ সালে সেনা সরকারের সময় আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ৩০টি আসন জনসংখ্যার অজুহাত দেখিয়ে সূচনীয়ভাবে পরিবর্তন করা হয়। এমনকি কুমিল্লা-৯ আসনকে প্রথমে ২ ভাগ, আপত্তির পর আক্রোশ বশত; ৩ ভাগ করা হয়। এভাবে বাংলাদেশে ওই সময়ে কমপক্ষে ৩০টি আসন হয়। উচ্চ আদালতে কুমিল্লা-৯ আসনকে তিন ভাগ করার বিরুদ্ধে রিট করার পর হাইকোর্ট এভাবে আসন করাকে অবৈধ ঘোষণা করেন। পরবর্তী কমিশনগুলো ঠুটু জগন্নাথের মতো প্রতি বছরেই হাইকোর্টের রায়কে উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগকে সুবিধা দেওয়ার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।
বর্তমান কমিশন জুলাই অভ্যুত্থানের পরে সুষ্ঠু সীমানা নির্ধারণের জন্য কাজ করছে। এই লক্ষে আমাদের প্রস্তাব সাবেক কুমিল্লা সদর দক্ষিণ পৌরসভা, বর্তমান সিটি করপোরেশনের (১৯-২৭) নম্বর ওয়ার্ড, লালমাই উপজেলা, সদর দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে কুমিল্লা-৯ পুনর্বহাল এবং ভোটার সংখ্যারভিত্তিতে আগের ১৯৮৬, ১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯৬ ও ২০০১ এর মতো আসন ব্যবস্থা পুনর্বহাল করা হোক।