বাঙলা কলেজ প্রতিনিধি-দৈনিক৩৬জুলাই
সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী শহীদ সাগর আহমেদ ও শহীদ রাব্বি ভাইয়ের প্রথম শাহাদাৎ বার্ষিকীসহ সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনায় ছাত্রশিবির, সরকারি বাঙলা কলেজ শাখার উদ্যোগে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সরকারি বাঙলা কলেজের কেন্দ্রীয় জামে মাসজিদে বিশেষ এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বাদ আছর মসজিদে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।
বাঙলা কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবির মাহমুদ সোহাগের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান সাকিবের সঞ্চালনায় এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাদিক কায়েম।
এই সময় তিনি বলেন, গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনাতার উপর আওয়ামিলীগ গাযার মতো হামলা চালিয়েছে। শহীদ সাব্বির- রাব্বি-আবু সাইদ-ওয়াসিম শান্ত ভাইদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন হয়েছি।
বাংলাদেশ বিনির্মানে পদক্ষেপ নেওয়া আমাদের দায়িত্ব । জুলাইয়ের অন্যতম দাবী ছিলো বাংলাদেশের সকল ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ থাকবে। এখানে দাসত্বের কোন পরিবেশ থাকবে না।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের অন্যতম সদস্য ও ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখার সভাপতি হাফেজ আবু তাহের।
এই সময় তিনি বলেন, আমাদের এখন ভয় দূর হয়ে গেছে, তাই এখন সবার মনে সাহস ছড়িয়ে দিতে হবে। স্বৈরাচারের দোসররা যেকোনো সময় আমাদের উপর আবারও হানা দিতে পারে। তাই তাদের বিরুদ্ধে সবসময়ই সোচ্চার থাকতে হবে।
তিনি আরো দাবী জানান,
১.সামনের দিনে যারা রাষ্ট্র শাসন করবেন তারা যেন আর স্বৈরাচারী মনোভাব পোষণ করতে না পারে
২.জুলাই অভ্যুত্থানে আহত এবং নিহত শহীদ পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে পুনর্বাসনের জন্য কাজ করবে
৩.জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারের কাজ দ্রুত চলছে, আমরা চাই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে বিচারিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে
৪.জুলাই অভ্যুত্থানে আহত এবং নিহত পরিবারের স্বজনদের যাতে মানবেতর দিনযাপন করতে না হয় সেজন্যে সরকার আলাদা অধিদফতর গঠন করার মাধ্যমে তাদের সর্বোচ্চ সহায়তা করবে।
আলোচনা শেষে আবু সাদিক কায়েম ভাইয়ের পরিচলনায় দোয়া ও মোনাজাত মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।
www.daynik36july.com