নিজেস্ব প্রতিনিধি – দৈনিক ৩৬ জুলাই ডেস্ক | ভোলা, বোরহানউদ্দিন:
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যেন পরিণত হয়েছে এক ভয়ানক মাদক ও জুয়ার আখড়ায়। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এলাকাটি রূপ নেয় এক অন্ধকার জগতে—যেখানে উঠতি বয়সি তরুণদের ভবিষ্যৎ হারিয়ে যাচ্ছে নেশার ঘোরে এবং জুয়ার ফাঁদে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ কার্যক্রমে পুলিশ প্রশাসনের কিছু সদস্যের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগসাজশ রয়েছে। চোখের সামনে অপরাধী ধরা পড়লেও মোটা অংকের বিনিময়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যেমন বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা, অন্যদিকে মাদকসেবী ও চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্যে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে সাধারণ মানুষ।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন—
“আমরা দেখেছি কিভাবে সন্ধ্যার পর এখানে জুয়ার আসর বসে, কত তরুণ সেখানে জড়িয়ে পড়ছে। কিছু পুলিশ এসে ঘোরাফেরা করে, পরে চলে যায়। কিন্তু কখনো কোনো দৃশ্যমান অভিযান হয় না। যে ধরা পড়ে, সে আবার কয়েক ঘন্টা পরেই ফিরে আসে।”
এলাকাবাসীর দাবি—সরকার ও প্রশাসন যদি এখনই কঠোর ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে এর দায় একদিন তাদেরকেই নিতে হবে। তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা শুধু ভোটের সময় আসেন, এরপর আর এলাকার তরুণদের অবস্থা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই।
দ্রুত স্বতন্ত্র তদন্ত কমিটি গঠন
মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে গোপন অভিযানের উদ্যোগ
এলাকায় জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা
যুবকদের জন্য ইতিবাচক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
পরবর্তী সংবাদ প্রকাশের পূর্বে এলাকাবাসী ও তরুণ সমাজের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে বোরহানউদ্দিন প্রশাসনের প্রতি।
[অনুসন্ধান পর্ব-01] – অনুসন্ধানী রিপোর্টের দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশ করা হবে, কে বা কারা এই মাদক সিন্ডিকেটের মূল হোতা এবং কারা দিচ্ছে ছত্রছায়া।
তথ্য বা অভিযোগ জানাতে যোগাযোগ করুন: www.daynik36july.com