October 29, 2026, 4:38 am
শিরোনাম :
মাদকের বিরুদ্ধে কথা বললেই হামলার অভিযোগ—কালিকাপুরে মাদক সিন্ডিকেটের দাপট? আতঙ্কে তরুণ সমাজ, উঠছে নানা প্রশ্ন জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সরকারি বাঙলা কলেজে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালিত কারো বক্তব্য প্রচার বন্ধ রাখা যায় না, সরাইলে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা! কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে হামলার ভিডিও ধারণ করার সাংবাদিকদের ডান হাতের কাঁধ ভেঙে দিল ছাত্রদলের দুর্বৃত্তরা হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ নাসিরনগরে কৃষি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, জনতার হাতে এক প্রতারক আটক ‎প্রাকৃতিক দুর্যোগে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম, ‎বাজারের অস্থিরতায় লাগাম টানতে চাই কার্যকর ‎পদক্ষেপ, পেঁয়াজের বাজারে অস্থিরতা, বেড়েছে খুচরা দাম, নাসিরনগরে কাঁচামরিচের কেজি ছাড়ালো ৩০০ টাকা
নোটিশ :

কেশবপুরে সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম যৌথবাহিনীর হাতে আটক: ছাত্রজনতার চাপে ধরা পড়লেন বিতর্কিত নেতা

মোঃ মাকসুদুর রহমান ঢাকা
Oplus_0

কেশবপুরে সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম যৌথবাহিনীর হাতে আটক: ছাত্রজনতার চাপে ধরা পড়লেন বিতর্কিত নেতা

 

প্রকাশের তারিখ: ২ জুলাই ২০২৫
🖋️ প্রতিবেদক: জি এম সেলিম ইমরান সাহস, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি


বিস্তারিত প্রতিবেদনঃ

যশোরের কেশবপুরে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র রফিকুল ইসলাম (৫৮)। ছাত্র ও এলাকাবাসীর প্রবল দাবির মুখে বুধবার (২ জুলাই) দুপুর তিনটায় যৌথবাহিনীর সহায়তায় পুলিশ তাকে আটক করে।

সন্ধ্যা ছুঁই ছুঁই সময়ে, কেশবপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভবানিপুর এলাকায় নিজের বাড়ির পাশে অবস্থান করছিলেন সাবেক এই মেয়র। খবর পেয়ে উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিলে তিনি পাশের ডা. হাফিজের বাড়িতে গা-ঢাকা দেন। কিন্তু সেখানেও রেহাই মেলেনি—জনতা পুরো বাড়ি ঘিরে ফেলে।

ঘটনার খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ওই বাড়ি থেকে রফিকুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আটককালে উত্তেজিত জনতা তাকে কিল-ঘুষি, চড়-থাপ্পড় মারেন।

রফিকুল ইসলাম ভবানিপুর গ্রামের মৃত শামসুর মোড়লের ছেলে। তিনি ২০১৫ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে কেশবপুর পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে তিনি ছাত্র ও যুব সমাজের তোপের মুখে ছিলেন।

আটকের সময়现场ে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা ছাত্র সমন্বয়কের নেতা মিরাজ হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম সুইটসহ অনেকে। অভিযানে ডা. হাফিজের বাড়ি থেকে পুলিশ ৫টি কম্পিউটার পিসি ও ৫টি ডেস্কটপ জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য:
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, “আটক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার অর্থ যোগানদাতা এবং পরামর্শদাতা হিসেবে অভিযোগ রয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।”


শেষ কথা:
এক সময়ের ক্ষমতাধর পৌর মেয়র আজ ছাত্র জনতার প্রতিরোধে পুলিশের জিম্মায়। কেশবপুরের রাজনীতিতে নতুন মোড় নিয়েছে এই গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে। এখন সময় বলবে, এই ঘটনার প্রভাব কতটা গভীরে গেঁথে থাকবে



আমাদের পেজ লাইক করুন