৩০ মে ২০২৫ | দৈনিক ৩৬ জুলাই রিপোর্ট
আজ ৩০ মে—বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বেদনাবিধুর দিন। আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, বীর উত্তম-এর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামে এক সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় দেশের এই কিংবদন্তি নেতাকে।
জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ মার্চ বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম স্বাধীনতা ঘোষণা পাঠ করে জাতিকে স্বাধীনতার বার্তা দেন।
তাঁর এই ঘোষণা ছিল মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা। তিনি ১১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক হিসেবে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন এবং পরবর্তীতে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।
স্বাধীনতার পর সেনাবাহিনীতে তাঁর উত্থান ঘটে এবং ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক সংকটের পর ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিয়াউর রহমান একাধিক গঠনমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেন:
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোররাতে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে একদল বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তা তাঁর ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়।
সেই ভয়াল রাতেই তিনি শহীদ হন। তাঁর মৃত্যু আজও রহস্যের ধোঁয়াশায় আবৃত, অনেকেই বিশ্বাস করেন এটি ছিল একটি গভীর আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের অংশ।
ঢাকার চন্দ্রিমা উদ্যানে তাঁকে সমাহিত করা হয়। তাঁর কবর এখন জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। প্রতি বছর লাখো মানুষ সেখানে এসে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জিয়াউর রহমানের জীবন ছিল সাহস, সততা ও কর্তব্যপরায়ণতার প্রতীক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক ধারা সূচিত হয়।
তিনি ছিলেন “নেতা নন, এক সাহসী বিপ্লবী রাষ্ট্রনায়ক”—যার মৃত্যু বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অপূরণীয় ক্ষতি।
📰 প্রকাশক: www.daynik36july.com | ✍️ প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক