Oplus_0
শেষ পর্যন্ত তার চোখ দুটো বাঁচানো যায়নি। পুরোপুরি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে আমজাদ। দিনরাতের হিসাবও এখন করতে পারে না সে। রাত তিনটার দিকে ঘুম থেকে উঠে প্রায়ই তার মাকে জিজ্ঞেস করে, “আম্মা এখন কি দুপুর?”
তার মা কোনো উত্তর দেয় না। ছেলের কথা শুনে নীরবে কাঁদে শুধু। আমজাদের শরীরেও এখনও রয়ে গেছে অসংখ্য ছররা গু’লি। শরীরের অসংখ্য গু’লি এবং দৃষ্টিশক্তি হারানো নিয়ে ছোট্ট আমজাদের কোনো আফসোস নেই। তার শুধু একটাই আফসোস। সে তার মাকে আর দেখতে পারে না। আমজাদ শুধু কেঁদে কেঁদে বলে, “আমার মাকে একটু দেখতে মনে চায়। নতুন করে পাওয়া এ স্বাধীন বাংলাদেশটাকে দেখতে মনে চায়।”
এই ত্যাগ ভুলে যাবার নয়