কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ, ০১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ
নতুন বছরের সূচনালগ্নে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ব্যবস্থাপনায় অধস্তন কর্মকর্তাদের পদোন্নতি উপলক্ষে এক আনুষ্ঠানিক র্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নতুন দায়িত্ব ও পদমর্যাদার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, কিশোরগঞ্জ। তিনি নবপদপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাঁধে নতুন র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়ে তাঁদের দায়িত্ব পালনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস)। এছাড়াও জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
শান্ত ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্ধারিত ক্রম অনুযায়ী সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে র্যাংক ব্যাজ পরানো হয়। ব্যাজ পরিধানের সময় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ করতালির মাধ্যমে তাঁদের অভিনন্দন জানান। নবপদপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মুখে আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করা যায়।
অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জ বলেন,
“পদোন্নতির মাধ্যমে একজন পুলিশ সদস্যের ওপর দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেশাগত দক্ষতা, মানবিক আচরণ এবং আইনগত জ্ঞান প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জনসেবায় সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার নির্দেশনা দেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তাঁর বক্তব্যে বলেন, শৃঙ্খলা ও নিয়মনীতি অনুসরণ করেই দায়িত্ব পালন করলে পেশাগত সফলতা অর্জন সম্ভব। অপরদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি এবং অপরাধ দমনে আধুনিক কৌশল প্রয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে নবপদপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, এ স্বীকৃতি তাঁদের কর্মজীবনে নতুন প্রেরণা যোগাবে। তাঁরা আরও বলেন, নতুন পদমর্যাদার সঙ্গে যে দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে তা যথাযথভাবে পালন করে জনগণের আস্থা অর্জনে সচেষ্ট থাকবেন।
র্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠানটি কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ভেতরে শৃঙ্খলা, পেশাগত উন্নয়ন এবং দলগত ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করেছে। নতুন বছরের শুরুতে এমন উদ্যোগ জেলা পুলিশের কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।