কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি;
বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন না পেলেও কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনের সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বসিত ভালোবাসায় সিক্ত হলেন ইটনা উপজেলার সন্তান ডাক্তার ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী লাকী৷
শনিবার তিনি নিজ গ্রাম বাদলা ইউনিয়নের থানেশ্বরে পৌঁছালে হাজারো মানুষ ফুলের মালা হাতে তাকে স্বাগত জানাতে ভিড় করেন। দীর্ঘদিন পর নেতৃত্বের এক পরিচিত মুখকে কাছে পেয়ে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ডাক্তার লাকি। স্থানীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন নেই। তবে দল প্রাথমিকভাবে অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানালেও এর কোনো প্রভাব দেখা যায়নি তৃণমূলের উচ্ছ্বাসে—বরং লাকির প্রতি মানুষের সমর্থন আরও স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে তার আগমনে।
তার আগমনের খবর পাওয়া মাত্র বিভিন্ন গ্রাম থেকে দলে দলে মানুষ থানেশ্বরে এসে জড়ো হয়। ফুলের মালা পরিয়ে, উল্লাসধ্বনিতে তাকে বরণ করে নেন সবাই। অনেকেই জানান—লাকীর প্রতি তাদের ভালোবাসা ব্যক্তির চেয়ে বেশি তার দীর্ঘদিনের সামাজিক অবদান ও পারিবারিক ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান।
ডাক্তার লাকির পিতা আলহাজ্ব ফরহাদ আহমেদ চৌধুরী কাঞ্চন ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত একমাত্র সংসদ সদস্য। সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার রাজনৈতিক জীবনে যে একমাত্র নির্বাচনী পরাজয় স্বীকার করেছিলেন—তা ছিল লাকির বাবার কাছে।
তৃণমূল মানুষের এমন উচ্ছ্বাস দেখে আবেগাপ্লুত ডাক্তার ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী লাকি বলেন,
“আমার প্রতি মানুষের যে আন্তরিক ভালোবাসা দেখলাম, তা ভাষায় প্রকাশের মতো নয়। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ জানাই। দল শেষ পর্যন্ত নিশ্চয়ই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে, এবং আমি আশাবাদী—ধানের শীষ কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে আবারও শক্ত অবস্থানে ফিরে আসবে।”