স্টাফ রিপোর্টার;
ফাইতং ইউনিয়নে পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে শ্রমিক,মালিক ও জনতার যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ১০ টার দিকে শ্রমিক,মালিক,জনতার যৌথ উদ্যোগে ফাইতং এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
জানা যায়, বিগত ১৬ অক্টোবর পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে ফাইতং এলাকার মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের মালিকানাধীন এএমবি-১,এএমবি-২ ও এএমবি-৩ নামের তিনটি ইটভাটা ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং অবৈধ কাঠামো গুডিয়ে দেয়া হয়েছে।
ওইদিন পরিবেশ অধিদপ্তর অবৈধ ইটভাটার অভিযানে আসার খবর পেয়ে ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিক,মালিকরা রাস্তায় কাফন পরিহিত অবস্থায় অভিনব কৌশলে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করে।ফলে বাঁধার মুখে পরিস্থিতি বিবেচনা করে অভিযান পরিচালনা না করে চলে যান অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া টিম।
তবে,অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ অভিযানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার দায়ে ইতিমধ্যে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বর্তমানে এ ঘটনাকে কেন্দ্রকরে ফাইতং, মানিকপুর ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিক, মালিক এদের যৌথ সমন্বয়ে গত কয়েকদিনে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইটভাটার একাধিক মালিক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে পরিচালিত এই অভিযানে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করা হলে এসব ইটভাটায় কর্মরত শ্রমিকরা জীবিকা হারানোর আশঙ্কায় আন্দোলন শুরু করছেন,একই সাথে মালিক কর্তৃপক্ষকে কোটি কোটি টাকার লোকশান গুনতে হবে যা আমাদের প্রত্যাশার বাইরে।
এদিকে ফাইতং অবৈধ ইটভাটা নির্মাণ ও পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে বাঁধা দেয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–এর চট্টগ্রাম মহানগর শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী এরফানুল হক রুমেলসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং একই মামলায় আরও ৩০০–৪০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন,জেলায় প্রায়৭০টি ইটভাটা রয়েছে,কিন্তু এদের একটিও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত নয়।তাই এসব অবৈধ ইটভাটা বন্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।