দূর্গাপুর প্রতিনিধি : মো: মোমিন জাদরান
দৈনিক৩৬জুলাই
রাজশাহীর দুর্গাপুর থানার এএসআই নূর নবীর বিরুদ্ধে মাদক কারবারি থেকে নিয়মিত মাসোহারা গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী।
জানাযায়, গত ২৫ আগস্ট উপজেলার ঝালুকা ইউপির কুহাড় গ্রামে জোরপূর্বক বাঁশ কাটা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মাদক বিক্রেতা সাব্বিরের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে চাচাতো ভাই মহিন উদ্দিন। এরই সূত্র ধরে সাব্বিরের সাথে নিবিড় যোগাযোগ, মাদক বিক্রিতে সেন্টার ও নিয়মিত অর্থ গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন একাধিক এলাকাবাসী। তাদের দাবি নূর নবীর প্রত্যক্ষ ইন্ধনেই সাব্বির এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার পরে আবার তাঁকেই ফোন দিয়েছেন।
এ বিষয়ে কুহাড় গ্রামের জেলে বদিউজ্জামান জানান, “সাব্বির নিজেই বলে আমার এএসআই নূর নবীর সাথে মিট আছে। নূর নবী এসে বলে সাব্বির ভালো থাকো। এতোই তো বোঝা যায় তাদের সম্পর্ক। আমরা কি বললো আমরা সাধারণ মানুষ। সায়বাড়ে নবীর পুকুরে মাছ নিতে গেছিলো আমায় বলে, বড়ো মাছ দেন গ্লাস কার্ভ ধরেন।”
সিয়াম আহমেদ বলেন, “কাঠালবাড়িয়া মাছ মারতে গেছি আমায় সুধাচ্ছে কতি জাল নামিয়ে রে? আমি বল্লাম জানিনা। যেখানে জাল পড়ে সেখানেই গিয়ে মাছ নেয়। পুকুরের সেরা বড়ো বড়ো মাছ, রুই কাতল মাছ। কেউ এমনই না দিলে জোর করে লিয়ে লিবি।মনে হয় তার বাপের পুকুর, ওই মাছ লাগবে বড়ো ধরবু। সাব্বির কাছ থেকে যোগাযোগ মাধ্যমে টাকা নেয় নগদ,রকেট। সাথে ইউনিয়ন আরও অনেক মাদক বিক্রেতার কাছ থেকে নিয়মিত টাকা নেয় নূর নবী।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক বাসিন্দা বলেন, “এএসআই নূর নবী লোকটা ভালো না ঘুস খোর, ছালপাল ও যদি ফোন দেয় টেকা দিবো চলে আসপি”
মাদক কারবারি সাব্বিরের হামলায় আহত মহিন উদ্দিনের, সন্তান সাগর আলী জানান, থানাতে ঘুস দিয়ে এসে মাদক ব্যবসা করে। তার কাছে নিয়মিত নূর নবী আসে। তার কাছে অভিযোগ দিলে বলে উই যা পারে করুক আমরা পড়ে দেখবো। প্রকাশ্যে ট্যাবলেট, চুয়ানি, বাবা,বিক্রি করে।
এবিষয়ে দুর্গাপুর থানা এএসআই নূর নবী বলেন, “এমন প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। সাব্বির নামে কাউকে চিনিও না। এসব ভূয়া প্যাচাল আমার কাছে পাইরেন না ঠিক আছে। কোনো লোক বলতে পারবে না নূরনবী ২ নম্বরী কোনো কাজ করে। প্রমাণ আছে সামনে আইসা দেখায়েন।” বলেই ফোন কেটে দেন পরবর্তীতে একাধিকবার দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এবিষয়ে দুর্গাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি)
আতিকুল ইসলামে নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
রাজশাহীর জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আলম জানান, এই ঘটনা যদি সত্যি হয়, আমরা অনুসন্ধান করবো। সত্যতা পাওয়া যায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা হবে এবং আরো অন্য ব্যবস্থা হতে পারে।